ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার কেমন হবে সম্পূর্ণ গাইডলাইন বিস্তারিত জেনে নিন।

ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার কেমন হবে সম্পূর্ণ গাইডলাইন বিস্তারিত জেনে নিন।

আমরা অনেকেই চাই ফ্রিল্যান্সিং করতে কিন্তু কোন বিষয়টা নিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করব এবং আমাদের ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার টা কেমন হবে এই নিয়ে আমরা অনেকেই চিন্তিত থাকি।

ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার

আজকে আমি আপনাদের বলব আপনি ফ্রিল্যান্সিং আসলে আপনার ক্যারিয়ার কেমন হতে পারে এবং কোন বিষয়গুলো জানা থাকলে আপনি ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ারে আসতে পারেন এবং ফ্রিল্যান্সিং করতে পারেন এই সমস্ত বিষয় বস্তু আমি আজকে আপনাদের সাথে শেয়ার করব আশা করি পোস্টটি আপনার যদি ভালোভাবে পড়েন তাহলে ফ্রিল্যান্সিং এ আসার আগে যে সমস্ত বিষয় জানা প্রয়োজন সমস্ত কিছু আপনারা জানতে পারবেন।

ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার কেমন হবে।

আপনার যদি ফ্রিল্যান্সিং করতে চান যদি ফ্রিল্যান্সিং কোন সেক্টরে কাজ করেন তাহলে আপনার ক্যারিয়ার টা চমৎকার হবে এবং আপনি প্রচুর পরিমাণে উপার্জন করতে পারবেন অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলোতে।

অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলোতে কাজ করার জন্য ফ্রিল্যান্সিং এ আসার আগে আপনাকে যেকোনো একটি ক্যাটাগরিতে কাজ শিখতে হবে এবং সেই ক্যাটাগরিতে খুব ভালোভাবে দক্ষতা অর্জন করতে হবে তারপরে আপনি ফ্রিল্যান্সিংয়ে নেমে পড়বেন এবং বিভিন্ন কোম্পানির সাথে কথাবার্তা বলতে বলতে একসময় আপনি কাজ পেয়ে যাবেন তার জন্য আপনাকে কিছু বিষয় বস্তু কিছু জিনিস আছে সেগুলো শিখে নিতে হবে।

আপনি যদি কম্পিউটার চালাতে পছন্দ করেন এবং টেকনোলজি কে পছন্দ করেন তাহলে আপনার ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার আসতে পারেন কারন ফ্রিল্যান্সিং এ আসার আগে আপনাকে অবশ্যই কম্পিউটার ভালো দক্ষতা অর্জন করতে হবে অন্যথায় আপনি ফ্রিল্যান্সিংয়ে এসে টিকে থাকতে পারবেন না।

ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার হিসেবে গড়ার জন্য আপনাকে আর একটি কথা মাথায় রাখতে হবে সেটি হচ্ছে পরিশ্রম এবং ধৈর্য ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার হিসেবে গড়ার জন্য আপনাকে অবশ্যই প্রচুর পরিমাণে পরিশ্রম করতে হবে চেষ্টা করতে হবে।
 তারপরে আপনি সফল হতে পারবে না এই সেক্টরে এসে প্রায় 80 পারসেন্ট মানুষ ফিরে চলে যায় কারণ তারা সফল হতে পারে না তারা খুব বেশি পরিশ্রম করতে চায় না অল্প পরিশ্রম করে ইনকাম করতে চায় তার জন্য তারা এ সময় এই রাস্তা থেকে চলে যায়।

ধৈর্য অনেকেই  ধৈর্য হারিয়ে ফেলেন কিছুদিন কাজ করেন তারপরে যদি ইনকাম না হয় তাহলে সে ধৈর্য হারিয়ে ফেলে খুব অল্পতে ধৈর্য হারিয়ে গেলে চলবে না আপনাকে পরিশ্রম করে যেতে হবে এবং অনেক দিন কাজ করে যেতে হবে তাহলে আপনি সফল হতে পারবে না যারাই সফল ফ্রিল্যান্সার হয়েছে তারা কেউই দুই থেকে তিন মাস কাজ করে সফল ফ্রিল্যান্সার হয়ে যায় নাই তারা কমপক্ষে ছয় মাস থেকে এক বছর পর্যন্ত পরিশ্রম করেছে এবং কাজ করতে করতে এক পর্যায়ে চলে গেছে তখন তারা আর্নিং করতে পেরেছে এবং তারা আজকে সফল ফ্রিল্যান্সার হিসেবে বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে কাজ করছে।

ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ারে আপনি তখনই আসতে পারেন যখন আপনার চাকরি করতে ভালো লাগে না অথবা আপনি চাকরি করতে চান না স্বাধীন একটি কাজ করতে চান তাহলে আপনার জন্য ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার টা বেস্ট হবে।

কারণ ফ্রীলান্সিং করার জন্য আপনার নির্দিষ্ট কোন সময় প্রয়োজন নাই আপনি একটি কাজ যখন বায়ারকে করে দিতে পারেন তখন তার সময় মত দিলেই হলো আপনি নি স্বাধীনভাবে এখানে কাজ করতে পারেন আপনার যদি একটি ল্যাপটপ থাকে আপনি ঘুরতে গিয়ে ফ্রীলান্সিং করতে পারেন আপনার উপর কেউ কোনো রকমের চাঁপ দিবেনা এটি হচ্ছে ফ্রিল্যান্সিং এর সবচেয়ে বড় সুবিধা।

ফ্রিল্যান্সিং এর আরও সুবিধা রয়েছে যেমন কোন অফিসে যেতে হয় না আপনি বাসায় বসে বিভিন্ন কোম্পানির সাথে কাজ করতে পারবেন আপনার যদি ইন্টারনেট কানেকশন থাকে তাহলে আপনি ঘরে বসে পুরো পৃথিবীর সমস্ত কোম্পানির সাথে যোগাযোগ করে কাজ করতে পারবেন এবং ভালো পরিমাণে ইনকাম জেনারেট করে নিতে পারবেন।

ফ্রিল্যান্সিং শেখার জন্য কোন কাজটি ভালো হবে।

ফ্রিল্যান্সিং শেখার জন্য আপনি যে কোন একটি কাজ বেছে নিতে পারেন অনলাইন সেক্টর গুলোতে প্রচুর পরিমাণে কাজ রয়েছে যদি আপনি ফ্রীল্যান্সার আপওয়ার্ক কে প্রবেশ করেন তাহলে আপনি সেখানে প্রচুর পরিমাণে ক্যাটাগরি দেখতে পারবেন আপনি যে কোন একটি ক্যাটাগরিতে কাছে শিখে নিতে পারেন তবে সবচেয়ে জনপ্রিয় কিছু কাজ রয়েছে যেগুলো কাজ করলে আপনি একাধিক ভাবে ইনকাম করতে পারবেন।

জনপ্রিয় কিছু কাজ রয়েছে যেমন 

গ্রাফিক ডিজাইন
 ওয়েব ডিজাইন
 ওয়েব ডেভেলপমেন্ট
 এসিও
 ডিজিটাল মার্কেটিং
 ডাটা এন্ট্রি
 সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং।
ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার

আরো অনেক ক্যাটাগরি রয়েছে এই ক্যাটাগরির গুলো দেখলে আপনি কাজ শিখতে পারেন তাহলে আপনি সবচেয়ে বেশি ইনকাম করতে পারবেন এবং একাধিক ভাবে ইনকাম করতে পারবেন এই খানের যেকোনো একটি কাজ শিখলে এই কাজটি আপনার একটি প্রোডাক্ট হয়ে দাঁড়িয়ে যাবে আপনি নিজে ওয়েবসাইট তৈরি করে এই সার্ভিসগুলো আপনার নিজের ওয়েবসাইটে সেল করতে পারবেন।

অনলাইনে সবচেয়ে পাওয়ারফুল সেক্টর হচ্ছে মারকেটিং আপনি যদি একজন দক্ষ মারকেটিং হতে পারেন ভালোভাবে কোন একটি প্রতিষ্ঠান থেকে অথবা ইনস্টিটিউট থেকে মার্কেটিং শিখতে পারেন তাহলে আপনি যে কোন সেক্টরে কাজ করো না কেন সব সাইট থেকে আপনি খুব দ্রুত সফল হতে পারবেন কারণ অনলাইন জুড়ে রয়েছে মার্কেটিং এর এক বিশাল এরিয়া।

তাছাড়া গ্রাফিক ডিজাইন ওয়েব ডিজাইন ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপমেন্ট এসিও এগুলোর প্রচুর পরিমাণে চাহিদা রয়েছে আপনি এই কাজগুলো শিখতে পারেন তাছাড়া আপনি অ্যাপস ডেভলপমেন্ট শিখতে পারেন অ্যাপস ডেভলপমেন্ট শিখে নিলে নিজে অ্যাপস তৈরি করে প্রচুর পরিমাণে টাকা উপার্জন করতে পারবেন।

সবশেষে বলবো যদি ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার আসতে চান তাহলে আপনি অবশ্যই পরিশ্রমের উদ্যোগ এবং প্রচুর পরিমাণে ধৈর্য নিয়ে চলে আসুন আমি আশা করি আপনি খুব শীঘ্রই সফলতা অর্জন করতে পারবেন
আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে আমাদের ফেসবুক গ্রুপে জয়েন করতে পারেন এবং আমাদের ইউটিউব চ্যানেলের সাবস্ক্রাইব করে সাথে থাকতে পারেন বিভিন্ন ধরনের ভিডিও পাওয়ার জন্য

আর অবশ্যই আমাদের এই পোস্টটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করবেন এবং কোন কিছু জানার থাকলে আমাদেরকে কমেন্টস করতে ভুলবেন না

Post a Comment

0 Comments