অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং কিভাবে করবেন?


অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং ঘরে বসে আয় করার একটি অন্যতম মাধ্যম।

বিশ্বের সবচেয়ে বড় ই-কমার্স মারকেটপ্লেস হচ্ছে amazon.com এই মার্কেটপ্লেস থেকে প্রতিদিন প্রচুর পরিমাণে প্রোডাক্ট সেল হচ্ছে পুরো বিশ্বের মাঝে।
এবং এই amazon.com তারা এফিলিয়েট কমিশনের মাধ্যমে বিভিন্ন মার্কেটারদের কে তাদের প্রডাক্ট প্রমোশন এর অফার দিচ্ছে।
আর প্রচুর পরিমাণে মার্কেট আর এই অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে প্রচুর টাকা ইনকাম করছে।
এই প্রযুক্তির যুগে প্রায় সবাই অনলাইন থেকে কেনাকাটা করে থাকে আর বাহিরের দেশের তো প্রায় সবাই অনলাইন থেকে কেনাকাটা করে।
যেমন আমেরিকা কানাডা অস্ট্রেলিয়া এ সমস্ত দেশের অধিকাংশ লোকে amazon.com থেকে বিভিন্ন প্রোডাক্ট কিনে থাকে।
বিভিন্ন পণ্য তারা অনলাইনের মাধ্যমে অর্ডার করে থাকে এবং সেই পণ্যটি নির্দিষ্ট সময়ে তাদের বাড়িতে পৌঁছে দেয়া হয়।
এতে করে তাদের বাহিরে বের হয়ে আর কেনাকাটা করতে হচ্ছে না তারা বাড়িতে বসেই তাদের ইচ্ছামতো যেকোনো প্রডাক্ট কিনে নিতে পারছে ই-কমার্স মার্কেটপ্লেস গুলো থেকে আর বিভিন্ন মার্কেটাররা এই ই-কমার্স ওয়েবসাইট গুলোর এফিলিয়েট প্রোগ্রামের জয়েন করে তারা এই বিভিন্ন প্রোডাক্ট গুলো বিভিন্ন মানুষের কাছে প্রমোশন করে সেল করে দেওয়ার মাধ্যমে একটা ইনকাম করতে পারেন।
অ্যামাজন মূলত সর্বোচ্চ টেন পার্সেন্ট কমিশন দিয়ে থাকে তাদের এফিলিয়েট মার্কেটারদের।
এমন কোন প্রোডাক্ট নেই যেটা অ্যামাজনের নেই অ্যামাজনে নাই সমস্ত ধরনের প্রোডাক্টগুলো রয়েছে এবং আপনি চাইলে অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করতে পারেন যেকোনো ধরনের প্রোডাক্ট নিয়ে।
অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং আপনি যেভাবে করতে পারেন।
আপনি চাইলে সোশ্যাল মিডিয়াতে আমাজন এফিলিয়েট লিংক শেয়ার করে ইনকাম করতে পারেন বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়াতে আপনার যদি একাউন্ট থেকে  এবং আপনার প্রচুর পরিমাণে ফলোয়ার থেকে থাকে তাহলে আপনি সেখানে প্রোডাক্ট এর প্রমোশন করে অ্যামাজনের এফিলিয়েট মার্কেটিং করতে পারেন।
আর যদি আপনি সোশ্যাল মিডিয়াতে তেমন শক্তিশালী না হন তাহলে নতুন করে শুরু করতে পারেন বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়াতে যেমন ফেসবুক টুইটার লিংকডইন পিন্টারেস্ট এবং ইউটিউবে
এবং বিভিন্ন ল্যান্ডিং পেজ এবং ব্লগিং এর মাধ্যমে কাজগুলো করে আপনি আমাজন এফিলিয়েট মার্কেটিং করতে পারে না।
তবে সবচাইতে ভাল পদ্ধতি হল আপনি একটি ওয়েব সাইট তৈরি করে সেই ওয়েবসাইটে নিত্য নতুন প্রোডাক্ট নিয়ে আলোচনা করতে পারেন এবং প্রোডাক্ট এর রিভিউ করতে পারেন দেন সেখানে আপনি প্রোডাক্ট এর লিংক গুলো শেয়ার করার মাধ্যমে ইনকাম করতে পারেন।

যদি আপনি একটি নিস সাইট তৈরি করতে পারেন তাহলে আপনি সেই নিস সাইট থেকে প্রচুর পরিমাণে টাকা ইনকাম করতে পারবেন আপনি যদি অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েট এর জন্য একটি ভালো সাইট তৈরি করতে পারেন
তাহলে আপনি এই সাইট থেকে প্রচুর পরিমাণে টাকা অর্জন করতে পারবেন আপনার টার্গেট থাকতে হবে USA কানাডা অস্ট্রেলিয়া এই সমস্ত দেশ থেকে যেন আপনার ওয়েবসাইটের ট্রাফিক আসে তাহলে আপনি প্রচুর পরিমাণে টাকা ইনকাম করতে পারবেন।
আপনি যে কোন একটি প্রোডাক্ট নিয়ে আপনার ওয়েবসাইটে ভালোভাবে প্রোডাক্টটির গুনাগুন লিখে দিবেন এবং প্রোডাক্টটির কিছু বেশ ছবি দিবেন এবং প্রোডাক্ট বিক্রি করার জন্য যে সমস্ত তথ্য গুলো দিতে হয় ওই সমস্ত তথ্যগুলো আপনি দিয়ে দিবেন।
এভাবে কিছুদিন আর্টিকেল পোস্ট করলে আপনি খুব দ্রুত আপনার ওয়েব সাইট রেংকিং করতে পারবেন।
এবং একবার যদি অ্যাফিলিয়েট নিশ সাইট গুগলে রেংকিং করতে পারেন তাহলে প্রতিনিয়ত আপনি একটি প্যাসিভ ইনকাম করতে পারবেন।
আর এই কাজগুলো করার জন্য
আপনাকে যা যা করতে হবে
আপনাকে একটি ভাল ডোমেইন কিনে
আপনাকে কিওয়ার্ড রিসার্চ জানতে হবে গুগলের যে সমস্ত কিওয়ার্ডের ভালো রেন্ক রয়েছে ঐ সমস্ত কিওয়ার্ড গুলো নিয়ে আপনাকে কাজ করতে হবে এবং যে সমস্ত কিওয়ার্ডের ভালো সার্চ রেজাল্ট বের হয়েছে ওই সমস্ত কিওয়ার্ডগুলো নিয়ে যদি আপনি কাজ করেন তাহলে আপনি আপনার ওয়েবসাইটটিকে খুব দ্রুত রেন্ক করতে পারবেন।
এবং আপনি ওয়ার্ডপ্রেসের মাধ্যমে একটি সুন্দর সাইট তৈরি করতে পারেন আর অবশ্যই আপনার একটি হোস্টিং নিতে হবে সে হোস্টিং এর মাঝে আপনি ওয়ার্ডপ্রেস টি ইন্সটল করে নিতে পারেন ওয়ার্ডপ্রেস ইন্সটল করার মাধ্যমে আপনি একটি সুন্দর ওয়েব সাইট তৈরি করে নিতে পারবেন এতে কিছু পরিমাণ খরচ হবে।
মানসম্মত কন্টেন্ট পোস্ট করতে হবে আপনার সাইটে প্রতিদিন রেগুলারলি পোস্ট করতে হবে বিভিন্ন টিপস এবং ট্রিকস সম্বন্ধে বিভিন্ন প্রোডাক্ট নিয়ে আপনাকে লেখালেখি করতে হবে যাতে আপনার ভিজিটর প্রতিনিয়ত আপনার সাইটটি ভিজিট করতে থাকে।
এবং আপনাকে ভালো মানের ব্যাকলিংক তৈরি করতে হবে আপনার সাইটের জন্য যেটা এসইওর কাজে দিবে।
বিভিন্ন সাইটে আপনার ওয়েবসাইটটিকে  শেয়ার করতে হবে এবং বিভিন্ন ওয়েব সাইটের ওনার দের সাথে আপনাকে ভালো সম্পর্ক রাখতে হবে এবং তাদের সাইটে আপনার ওয়েবসাইটটি শেয়ার করার মাধ্যমে ভালো ভালো ওয়েবসাইট থেকে ব্যাকলিংক নিতে হবে তাহলে আপনি খুব দ্রুত আপনার ওয়েবসাইটটি র্রেংকিং করতে পারবেন।
আপনার ওয়েবসাইটে প্রয়োজনীয় যে পেজ গুলো আছে এগুলো ভালোভাবে সেটআপ করে নিতে হবে যেন আপনার ভিজিটররা আপনার প্রতি বিশ্বস্ত হয়।
কন্টাক্ট পেজ এবাউট পেজে সমস্ত পেজগুলোকে আপনাকে ভালো ভাবে সাজাতে হবে যেন আপনার ভিজিটররা আপনার সাথে যোগাযোগ করতে পারে এবং প্রতিনিয়ত আপনার ওয়েবসাইটের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন রাখতে পারে।
এই কাজগুলো যদি আপনি ভালো ভাবে করতে পারেন তাহলে আপনি এ্যামাজন এফিলিয়েট মার্কেটিং  খুব ভালোভাবে করতে পারবেন আর অবশ্যই আপনাকে সোশ্যাল মিডিয়াতে একটু শক্তিশালী হতে হবে তা না না হলে আপনি প্রথমে খুব বেশি ভিজিটর পাবে না তবে আসতে আসতে আপনার ভিজিটর গুলো বাড়বে  যদি আপনি এভাবে কাজ করতে পারেন।
অ্যামাজন সাধারণত পেওনিয়ার এর মাধ্যমে পেমেন্ট করে থাকে আপনি অ্যামাজনে কাজ করলে পেওনিয়ার একাউন্ট এর মাধ্যমে পেমেন্ট নিতে পারবেন।
আপনার যদি পেওনিয়ার একাউন্ট না থেকে থাকে তাহলে একটি পেওনার অ্যাকাউন্ট তৈরি করে নিবেন এবং সেই পেওনার অ্যাকাউন্ট একটি ইন্টারন্যাশনাল ব্যাংক একাউন্ট থাকে সেই ব্যাংক একাউন্টের মাধ্যমে আপনি খুব সহজে এমাজন থেকে পেমেন্ট নিতে পারবেন।
আপনি যদি একজন ভাল মার্কেটার হতে পারেন তাহলে এফিলিয়েট মার্কেটিং করে আপনার লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করতে পারবেন তার জন্য আপনাকে অবশ্যই পরিশ্রম করতে হবে এবং অনেকটা ধৈর্য রাখতে হবে ধৈর্য রেখে কাজে লেগে থাকতে হবে তাহলে আপনি সফল হতে পারবেন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এ।
সোশ্যাল মিডিয়াতে আপনাকে প্রচুর পরিমানে সময় দিতে হবে এবং আপনার ওয়েবসাইটের রেগুলারলি কনটেন্ট পাবলিশ করতে হবে এবং সে কনটেন্টগুলোকে এসইও করতে হবে তাহলে আপনি এফিলিয়েট মার্কেটিং এ সফল হতে পারবেন।
amazon.com থেকে প্রতিনিয়ত প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ প্রোডাক্ট সেল হচ্ছে যদি আপনি এই মার্কেটপ্লেসে ভালোভাবে কাজ করতে পারেন তাহলে আপনি খুব অল্প সময়ে প্রচুর পরিমাণে টাকা অর্জন করতে পারবেন।
তা ছাড়াও রয়েছে alibaba.com aliexpress.com ebay.com এই সমস্ত মার্কেটপ্লেসগুলোতেও আপনি এফিলিয়েট মার্কেটিং করতে পারেন।
কোন ভুল হলে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন,পোষ্টটি ভালো লাগলে শেয়ার করে দিবেন।
এবং কিছু বলার থাকলে কমেন্ট করতে পারেন ধন্যবাদ....

Post a Comment

0 Comments